নির্বাচনি জামানত কী ? কেন জমা দিতে হয় এবং কীভাবে প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয় ?
নির্বাচন কমিশন | ছবি:de-বাংলা
নির্বাচন জামানত কী এবং কেন জমা দিতে হয়?
নির্বাচনি জামানত (Election Security Deposit)যা প্রার্থী হওয়ার প্রাথমিক শর্ত হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তার (Returning Officer) কাছে জমা দিতে হয়। এটি ট্রেজারি চালান (Treasury Challan) বা তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার (Pay Order) হিসেবে জমা দেওয়া যায়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনে গুরুত্বহীন বা ‘নন-সিরিয়াস’ প্রার্থীর সংখ্যা কমানো।
কেন নির্বাচনি জামানত নেওয়া হয়?
নির্বাচনে অযথা বা অযোগ্য প্রার্থীদের অংশগ্রহণ কমানো এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল রাখার জন্য এই জামানত নেওয়া হয়।
জামানত ফেরত পাওয়ার নিয়ম কী?
সাধারণত কোনো প্রার্থী যদি মোট বৈধ ভোটের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ (যেমন বাংলাদেশে সাধারণত ১/৮ বা ১২.৫%) অর্জন করতে পারেন, তাহলে তিনি তাঁর জামানত ফেরত পান।
যদি এই নির্ধারিত ভোটের হার অর্জন করতে না পারেন, তাহলে জামানত বাজেয়াপ্ত (সরকারি কোষাগারে জমা) হয়ে যায়।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার নিয়ম
নির্বাচনি জামানতের তালিকা (Security Deposit Amount List)
নির্বাচনের ধরন ও জামানতের পরিমাণ (Security Deposit List)
| নির্বাচনের ধরন (Type of Election) | পদের নাম (Post Name) | জামানতের টাকা (Deposit Amount) |
|---|---|---|
| জাতীয় সংসদ নির্বাচন | সংসদ সদস্য (MP) | ২৫,০০০ টাকা |
| উপজেলা পরিষদ নির্বাচন | চেয়ারম্যান | ১০,০০০ টাকা |
| পৌরসভা নির্বাচন | মেয়র (ভোটার ভেদে) | ১৫,০০০ - ৩০,০০০ টাকা |
| ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন | চেয়ারম্যান | ৯,৫০০ টাকা |
